ট্রেন দুর্ঘটনা, সঠিক তদন্ত হোক : সম্পাদকীয়

মঙ্গলবার ১২ নভেম্বর রাত পৌনে ৩টার দিকে কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর ঢাকাগামী তূর্ণা নিশীথা ও সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১৬ জন নিহত ও শতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনার কারণ কী তা এখনো জানা যায়নি। তবে ঘটনা তদন্তে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শোক জানিয়ে নিহতদের প্রতি শোক ও আহতদের আশু আরোগ্য কামনা করেছেন। নিহতদের মরদেহ নিজ নিজ পরিবারে পৌঁছানোর জন্য ২৫ হাজার এবং পরিবারপ্রতি একলাখ টাকা প্রদান করা হবে। ট্রেন দুর্ঘটনা এড়াতে রেলচালকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ট্রেন এমন একটি যান যেটিতে দুর্ঘটনা ঘটে না বললেই চলে। কিন্তু যখন ঘটে তখন তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। কারণ এই যানটিতে একসঙ্গে অনেক যাত্রী পারাপারের সুযোগ পায়। ফলে হতাহতের ঘটনাও মারাত্মক আকারে হয়। সড়কে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কারণে অনেকেই ট্রেনকে নিরাপদ ও আরামদায়ক মনে করেন। যদিও রেলসেবা নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে ভুক্তভোগীদের। তা সত্ত্বেও যানজটহীন যাত্রা সবার কাছেই উপভোগ্য।

কুমিল্লায় রেল দুর্ঘটনাটি যখন ঘটে তখন শেষ রাত। এই সময়ে স্বাভাবিকভাবেই যাত্রীদের অধিকাংশের ঘুমে আচ্ছন্ন থাকার কথা। আশার কথা এই যে দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে যারা জীবিত ও সুস্থ ছিলেন তারা রেলের আহত ও আটকেপড়া যাত্রীদের উদ্ধারে তৎপর হন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংস্থা যোগ দেয়। বাংলাদেশের মানুষের এই মানবিক দিকটি বরাবরই উদাহরণ হয়ে আছে।

কুমিল্লার রেল দুর্ঘটনার মূল কারণ এখনো স্পষ্ট না হলেও আমরা আশাকরি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তা বের হয়ে আসবে এবং এর জন্য দায়ী যারা তারা আইনি শাস্তির মুখোমুখি হবে। যে সময়টাতে দুর্ঘটনা ঘটেছে তখন চালকদের বাড়তি সতর্কতা থাকার কথা। কারণ এই সময়ে যাত্রীরা ঘুমে আচ্ছন্ন থাকবে এটাই স্বাভাবিক। এছাড়া এতগুলো যাত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্ব তাদের। যদি স্টেশন মাস্টারের এ ক্ষেত্রে কোনো গাফিলতি থাকে তবে তাও খতিয়ে দেখতে হবে। স্টেশন মাস্টার সঠিক সময়ে সিগন্যাল দিলে এভাবে মুখোমুখি সংঘর্ষ হওয়ার কথা নয়।

দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক সহযোগিতা দিতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা, উদাসীনতা প্রদর্শন করা হবে না এটিই আমরা প্রত্যাশা করি।

একটি দুর্ঘটনা, সারাজীবনের কান্না। দুর্ঘটনায় শুধু একজন মানুষ নিহত হন না। সে সঙ্গে তার পরিবার, পরিবারের স্বপ্নগুলোও নিহত হয়। সাজানো সংসার তছনছ হয়ে যায়। যারা আহত হন সারাজীবন পঙ্গুত্বের অভিশাপ বয়ে বেড়াতে হয় তাদের। এই দুর্বিষহ জীবনের যন্ত্রণা ভুক্তভোগী ছাড়া কারো পক্ষে উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। সড়কে যে কোনো দুর্ঘটনা প্রতিরোধে তাই সর্বোচ্চ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করি।

মঙ্গলবার ১২ নভেম্বর রাত পৌনে ৩টার দিকে কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর ঢাকাগামী তূর্ণা নিশীথা ও সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১৬ জন নিহত ও শতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনার কারণ কী তা এখনো জানা যায়নি। তবে ঘটনা তদন্তে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শোক জানিয়ে নিহতদের প্রতি শোক ও আহতদের আশু আরোগ্য কামনা করেছেন। নিহতদের মরদেহ নিজ নিজ পরিবারে পৌঁছানোর জন্য ২৫ হাজার এবং পরিবারপ্রতি একলাখ টাকা প্রদান করা হবে। ট্রেন দুর্ঘটনা এড়াতে রেলচালকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ট্রেন এমন একটি যান যেটিতে দুর্ঘটনা ঘটে না বললেই চলে। কিন্তু যখন ঘটে তখন তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। কারণ এই যানটিতে একসঙ্গে অনেক যাত্রী পারাপারের সুযোগ পায়। ফলে হতাহতের ঘটনাও মারাত্মক আকারে হয়। সড়কে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কারণে অনেকেই ট্রেনকে নিরাপদ ও আরামদায়ক মনে করেন। যদিও রেলসেবা নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে ভুক্তভোগীদের। তা সত্ত্বেও যানজটহীন যাত্রা সবার কাছেই উপভোগ্য।

কুমিল্লায় রেল দুর্ঘটনাটি যখন ঘটে তখন শেষ রাত। এই সময়ে স্বাভাবিকভাবেই যাত্রীদের অধিকাংশের ঘুমে আচ্ছন্ন থাকার কথা। আশার কথা এই যে দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে যারা জীবিত ও সুস্থ ছিলেন তারা রেলের আহত ও আটকেপড়া যাত্রীদের উদ্ধারে তৎপর হন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংস্থা যোগ দেয়। বাংলাদেশের মানুষের এই মানবিক দিকটি বরাবরই উদাহরণ হয়ে আছে।

কুমিল্লার রেল দুর্ঘটনার মূল কারণ এখনো স্পষ্ট না হলেও আমরা আশাকরি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তা বের হয়ে আসবে এবং এর জন্য দায়ী যারা তারা আইনি শাস্তির মুখোমুখি হবে। যে সময়টাতে দুর্ঘটনা ঘটেছে তখন চালকদের বাড়তি সতর্কতা থাকার কথা। কারণ এই সময়ে যাত্রীরা ঘুমে আচ্ছন্ন থাকবে এটাই স্বাভাবিক। এছাড়া এতগুলো যাত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্ব তাদের। যদি স্টেশন মাস্টারের এ ক্ষেত্রে কোনো গাফিলতি থাকে তবে তাও খতিয়ে দেখতে হবে। স্টেশন মাস্টার সঠিক সময়ে সিগন্যাল দিলে এভাবে মুখোমুখি সংঘর্ষ হওয়ার কথা নয়।

দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক সহযোগিতা দিতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা, উদাসীনতা প্রদর্শন করা হবে না এটিই আমরা প্রত্যাশা করি।

একটি দুর্ঘটনা, সারাজীবনের কান্না। দুর্ঘটনায় শুধু একজন মানুষ নিহত হন না। সে সঙ্গে তার পরিবার, পরিবারের স্বপ্নগুলোও নিহত হয়। সাজানো সংসার তছনছ হয়ে যায়। যারা আহত হন সারাজীবন পঙ্গুত্বের অভিশাপ বয়ে বেড়াতে হয় তাদের। এই দুর্বিষহ জীবনের যন্ত্রণা ভুক্তভোগী ছাড়া কারো পক্ষে উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। সড়কে যে কোনো দুর্ঘটনা প্রতিরোধে তাই সর্বোচ্চ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করি।